১৫ বছরের নাবালক ছাত্রের প্রেমে ৩৫ বছরের শিক্ষিকা!

মনে করা হয় বাবা-মা এরপর শিক্ষক-শিক্ষিকার স্থান সবথেকে উপরে। একজন শিক্ষক বা শিক্ষিকা তার ছাত্র বা ছাত্রী কে

খুব ভালো করে বুঝতে পারেন। কিভাবে তার ছাত্র বা ছাত্রী কে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করতে হয় তারা তা খুব ভাল করেই বুঝতে পারেন। আমরা এতদিন

গুরু-শিষ্যের সম্পর্কের কথা জেনে এসেছি। সেই সম্পর্ক খুবই পবিত্র হয়ে থাকে কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে এই সম্পর্কের মধ্যে কালিমালিপ্ত হচ্ছে। কখনো জানা যায় কোন শিক্ষক বা শিক্ষিকা তার

ছাত্র বা ছাত্রী কে শারীরিকভাবে নির্যাতন করছে। এইসব ঘটনা আমাদের কানে আসে কখনো ভেবে দেখেছেন এই ঘটনা হয়তো আমাদের পাশেও হচ্ছে অথচ আমরা জানতে পারছি না।একজন শিক্ষক বা

শিক্ষিকা তার ছাত্র বা ছাত্রীর জীবনের এমন একজন মানুষ হয়ে থাকেন যে তাকে জীবনে চলার পথে এমন অনেক শিক্ষা দেন যা পরবর্তী সময়ে গিয়ে তার কাজে আসে সেই সব শিক্ষার্থী ভিত্তিক না হলেও

জীবনের চলার পথে এগুলো প্রয়োজন পড়ে। আজকে আপনাদের এমন একজনের কথা বলব যে শিক্ষিকা হয়ে তার ছাত্রকে নিজের মন দিয়েছিল। মন দেওয়া বলা হয় না এটাকে বলতে গেলে তার প্রতি শারীরিক আকর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। আপনাদের যে কথাটা বলছি সেটা ব্রিটেনের।

সেখানকার এক 35 বছরের শিক্ষিকা তার 15 বছরের ছাত্রকে নির্যাতন করেছিল। এই ঘটনাটি সামনে আসে যখন ছাত্রটির বয়স 18 হয়। ছাত্রটি তার পরিবারের সাহায্য নিয়ে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে মামলা করে। সেই মামলায় শুনানির সময় শিক্ষিকা তার বিরুদ্ধে করা সমস্ত তথ্য ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করে।

উল্টে সে জানায় সে ছাত্রটিকে নির্যাতন করেনি সেই ছাত্রটিই বরং তাকে নির্যাতন করেছে। ধীরে ধীরে তার সমস্ত কথা মিথ্যে প্রমাণ হওয়া শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তার স্বামীকে আদালতে হাজির করা হয়। তার স্বামী সত্যের পথে না চলে মিথ্যের পাশে দাঁড়ায়। তার স্বামী সরাসরি অস্বীকার করে যে এমন কোন ঘটনা তার স্ত্রী ঘটিয়েছে। অপরপক্ষে ছাত্র জানায় তার সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক শিক্ষিকা তিনবার করেছে। দুবার তার ষোল বছরের জন্মদিনের আগে এবং একবার তাকে

Leave a Reply

Your email address will not be published.