দিহানের ‘পাশবিক নি’র্যা’ত’নে’ মৃ’ত্যু হয় সেই স্কুলছাত্রীর

দিহানের ‘পাশবিক নি’র্যা’তনে’ রাজধানীর কলাবাগানে স্কুলছাত্রী (১৭) শরীর থেকে রক্ত ঝরে মারা যায়। এই হ’ত্যা মামলায়

আদালতে অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বন্ধু ফারদিন ইফতেখার দিহানের ‘পাশবিক নি’র্যা’তনে’

মৃ’ত্যু হয়েছিল মেয়েটির। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প’রি’দ’র্শক ও মামলার তদন্ত ক’র্ম’ক’র্তা খালেদ সাইফুল্লাহ জানান,

‘প্রেমের ফাঁ’দে ফেলে মেয়েটিকে বাসায় ডেকে এনে ধ’র্ষ’ণ করেন ফারদিন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনসহ অন্যান্য ফ’রে’ন’সি’ক পরীক্ষায় এর

প্রমাণ পাওয়া গেছে।’ এই মামলায় ফারদিন ইফতেখার দিহানকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে

অভিযোগপত্রটি জমা দেওয়া হয়েছে। ২২ নভেম্বর অভিযোগপত্র গ্রহণ বিষয়ে শুনানির জন্য দিন রেখেছেন আদালত। কিশোরীর মা দাবি করে বলেন,

তাঁর মেয়ের হ’ত্যা’কা’রী’র সর্বোচ্চ শাস্তি চান তিনি। এদিকে দিহানের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম বলেন, তাঁর ম’ক্কে’ল অপ’রা’ধের সঙ্গে

জড়িত নন। ফারদিন ইফতেখার স্বী’কারো’ক্তি’মূলক জবানবন্দিতে বলেন, ‘সাধারণত দিনের বেলায় বাসা ফাঁকা থাকে। সেদিন (৭ জানুয়ারি) আমার বাবা এবং

বড় ভাই রাজশাহীতে থাকেন। মেজ ভাই সকাল ৮টায় বাসা থেকে বের হন। মা বগুড়ার উদ্দেশ্যে সকাল ১০টায় বের হয়ে যান। আমি ১১টার দিকে তাকে (কিশোরী) ফোন দিয়ে বলি, গৃহ’ক’র্মী চলে গেলে ফোন দেব।’মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ইংরেজি মাধ্যম পড়ুয়া স্কুলশিক্ষার্থীর সঙ্গে আসামি ফারদিনের পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে মেসেঞ্জারে নিয়মিত কথা হতো। পরিচয়ের এক মাসের মাথায় গত বছরের ৬ জানুয়ারি ফারদিন মেসেঞ্জারে কিশোরীকে পরদিন তাঁদের বাসায় আসতে প্ররোচিত করেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গৃহকর্মী বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর ফারদিন সেদিন দুপুর ১২টার দিকে ফোন দিয়ে কিশোরীকে বাসার বাইরে আসতে বলেন। কিশোরী বাসা থেকে বের হওয়ার পর ফারদিন তাকে বাসায় নিয়ে আসেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি ফারদিন কিশোরীর মেসেঞ্জারে ৬ জানুয়ারি একটি অ’শ্লী’ল ভিডিও পাঠান।

তাঁকে ফুসলিয়ে ফারদিন সেদিন নিজের বাসায় এনে ধ’র্ষ’ণ করে পা’শ’বিক নি’র্যা’তন করে হ’ত্যা করেন। ময়নাতদন্তের বিবরণে একটি নৃ’শং’স ধ’র্ষ’ণ ও ধ’র্ষ’ণের ফলে ভিকটিমের মৃ’ত্যুর বিষয়টি প্রমাণ করে।

এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে ৫০ জনের বেশি ব্যক্তির ১৬১ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন তদন্ত ক’র্মক’র্তা পিবিআই পরি’দ’র্শক খালেদ সাইফুল্লাহ। নি’হ’ত কিশোরীর বান্ধবী, কিশোরীর বাবা-মা, ফারদিনের ভাই, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্সসহ মামলাসংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.