পাঙাশ মাছ কেনায় দাদার হাতে ঝরল নাতির প্রাণ

গতকাল বিকেলে একটি বড় মাছ কেনা নিয়ে কথা কাটাকাটি পরে মারামারির ঘটনায় দাদা রাজ্জাকের লাঠির আঘাতে

নাতী রিফাত মিয়ার (১৩) মৃত্যুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের ইরতা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত রিফাত নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল এবং

ওই গ্রামের রেজাউল মিয়ার ছেলে। গতকাল বুধবার বিকালে বাজার থেকে রিফাতের বাবা রেজাউল

বড় একটি পাঙাশ মাছ কিনে আনেন। রেজাউলের স্ত্রী তাকে বলেন, ‘এতো বড় মাছ কিনে আনলা দেইখো এটা নিয়ে কথা হবে।’ পাশের ঘর থেকে

রিফাতের ছোট চাচি এ কথা শুনে শ্বশুর রাজ্জাকের কাছে বলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে

লাঠির আঘাতে রেজাউল ও রিফাত মাথায় গুরুতর আহত হন। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা জানান, বুধবার বিকেল

গুরুতর আহত অবস্থায় রিফাত ও তার বাবা রেজাউলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রিফাতের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। কিন্তু স্বজনরা টাঙ্গাইল না নিয়ে আবার হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এরমধ্যে রিফাতের বমি ও মাথা ব্যাথা ছিল। পরে রাত ১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত মারা যায়।

এ ব্যাপারে রিফাতের বাবা রেজাউল জানান, তিনি ঢাকায় কাজ করেন। বুধবার বিকেলে স্থানীয় বাজার থেকে বড় পাঙাশ মাছ কিনে আনেন। তার বাবা-মা ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে মাছকে কেন্দ্র করে কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মারামারি হয়। এতে রিফাত আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে হাসপাতালে রাতেই মারা যায়।

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পারিবারিক বিরোধ নিয়ে এ মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতাল থেকে আমাদের কাছে নিহতের খবর আসে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.