পালিয়েও রক্ষা পাননি ছাত্রলীগ নেতা, অবশেষে ৯ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে

প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর পর অনেক যুবক বিয়ে করতে চায় না এমন ঘটনা প্রায় সময় উঠে আসে। তবে

এই সময় সব থেকে বিপদে পড়েন প্রেমিকা। এদিকে, কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিও প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর পর

তার প্রেমিক কে বিয়ে করতে রাজি হয় না। এমনকি বিয়ে করতে রাজি না হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে বেড়ান ওই প্রেমিক। তবে

অনেক সময় পালিয়ে রক্ষা পান না। স্থানীয় ও প্রেমিকের বাড়ির পেশারে বিয়ে করতে বাধ্য হয় প্রেমিক। আর এবার

এক ছাত্রলীগ নেতার সম্পর্কে সংবাদ উঠে এসেছে যে তিনি প্রেম করার পরও বিয়ে করতে না চেয়ে পালান। অবশেষে সেই ছাত্রলীগ নেতাকে

বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটন সম্পর্কে এবার বিস্তারিত তথ্য উঠে এলো। পালিয়েও রক্ষা পাননি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও

পাওটানাহাট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রিপন। অবশেষে ২৪ ঘণ্টা পর রিপন ও তুলির দুই পরিবারের

সমঝোতায় তাদের বিয়ের রেজিস্ট্রি ও চুক্তিপত্র সম্পূর্ণ হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ৯ লাখ টাকা দেনমোহরে এ বিয়ের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেব গ্রামে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাওলা ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুজ্জোহা চঞ্চল।

জানা যায়, উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেব গ্রামের ইট ভাটার মালিক মৃ’’ত মিঠু মিয়ার মেয়ে তুলি আক্তার ও শিবদেব ভবানীপুর গ্রামের মো. আজিজুল হকের ছেলে মেহেদী হাসান রিপন দীর্ঘদিন ধরে প্রেম করে আসছিলেন। প্রেমের টানে রিপন গতকাল সোমবার রাতে তুলির সঙ্গে দেখা করতে যান।

ওই রাতে রিপন তুলির পরিবারের কাছে ধরা পড়লে রিপন তুলির পরিবারের কাছে কথা দিয়ে আসেন তুলিকে তিনি বিয়ে করবেন। কিন্তু রিপন কথা না রেখে পালিয়ে যান। পালিয়ে গিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তার। কারণ এদিকে তুলি আক্তার বিয়ের দাবিতে রিপনের বাড়িতে অবস্থান শুরু করেন। অর্ধদিবস অবস্থান করার পর দুই পরিবারের সমঝোতায় বিয়ের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে।

রিপনের মা অসুস্থ থাকায় আগামী সপ্তাহে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে বলে জানিয়েছেন ছাওলা ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুজ্জোহা চঞ্চল। সূত্র:যুগান্তর

এদিকে, এই বিয়েতে দুই পরিবার মেনে নিয়েছে। স্থানীয় মানুষরাও এই বিয়ের সংবাদে আনন্দিত। কেননা ওই মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল ছাত্রলীগ নেতার। তবে এই ছাত্রলাঈগ নেতা বিয়ের কথা বলেও পালিয়ে যান। কিন্তু এই সময় ওই মেয়ে বিয়ের দাবিতে ছাত্রলীগ নেতার বাড়ি যান। অবশেষে ছাত্রলীগ নেতা বাস ফিরে বিয়ে করলেন। তাদের এই বিয়েতে দুই পরিবারের লোকরা উপস্থিত ছিলো। তাদের নতুন জিবনের জন্য সকলে শুভ কামনা জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.