বেতন দিতে না পারলে মেয়েকে বিয়ে দিন, অসুস্থ বাবাকে কাণ্ড জ্ঞানহীন প্রধান শিক্ষক (ভিডিও

শিক্ষকের পেশাটি ব্যবহার করার জন্য অবশ্যই শিক্ষাগত দক্ষতা এবং

জ্ঞান থাকতে হবে যা শিক্ষাই এই পেশাটি সম্পাদন করতে পারবে। শিক্ষক সমাজ এবং

প্রজন্মের রূপান্তর কেন্দ্র হিসাবে তাদের যে ভূমিকা নিয়েছে তা যখন একজন শিক্ষক ভুলে যান, সেই শিক্ষক যদি হন কাণ্ড জ্ঞানহীন তাহলে

সেই প্রতিষ্ঠান যেখানে শিক্ষা দান করা হয় সেই বিদ্যালয় থেকে কি শিক্ষা অর্জন করবে। লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যানিকেতন এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন যার দায়িত্ব শিক্ষকতার বয়স চাকুরীর মেয়াদ অনেক আগে শেষ হয়ে গেলেও

বয়াল তবিয়তে আছেন নিজ দায়িত্বে। জানা যায় সভাপতি ঐ এলাকার এমপির দারস্থ হয়ে বিদায়ের পরেও

এখনও আছেন বহাল তবিয়তে দাপটের সাথে। দায়িত্ব পালনে করছেন যা মন চায় তা। অবসরে যাবার কথা,

না আবুল হোসেন অবসরে না গিয়ে বিদ্যালয়ে একক আধিপত্য বিস্তার করে আছেন। একজন শিক্ষার্থী বাবা অসুস্থ দীর্ঘদিন থেকে নিজে পড়ালেখার পাশাপাশি টিউশনি করে পরিবারের হাল ধরেছেন পরিবারে অন্য কেউ

আয় করার মত না থাকায় নিজেকে এই বয়সে হাল ধরতে হয়েছে বিদ্যালয় থেকে তার বেতন পর্যন্ত মৌকুফ বা কমিয়ে দেয়া হয়নি। মেধাবী সেই শিক্ষার্থী এই বয়সে নিজের পড়ালেখা চালিয়ে টিউশনি করে পরিবারকে চালিয়ে যাচ্ছেন। বেতন বকেয়া রয়েছে গত পাঁচ (৫) মাসের নিজের অসহাত্বের কথা জানান

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেনকে অসহাত্বের কথা জানিয়ে সহযোগিতার বদলে পেয়েছেন তিরস্কার বেতন কমিয়ে দেয়া, পুরো মৌকুফ বা পরে যখন সুবিধা হবে দিয়ে দিও এমন কোন কিছু না করে

সেই ছাত্রীর অসুস্থ বাবাকে বলা হয় বেতন দিতে না পারলে মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিন। ঐ ছাত্রী জানান ক্লাসে দাড় করিয়ে রাখা হয়েছে বেতন না দেয়ার অপরাধে!

শুধু ঐ শিক্ষার্থীকে নয় অন্যান্য শিক্ষার্থীদের যারা বেতন দিতে পারেনি সময়মত তাদের বেলায়ও ঘটেছে! মারধর করেছেন ক্লাসে দাড় করিয়ে রেখে অনন্যা শিক্ষার্থীদের সামনে যা ইচ্ছা তা বলে লজ্জা দেয়া হয়েছে।

একজন ছাত্রী জানান আমার আম্মুকে বলেছেন স্কুলে টাকা দেয়ার কোন দরকার নাই মাছ কিনে খান মেয়েকে বিয়ে দেন। ক্লাস থেকে জুর করে শিক্ষার্থীদের বের করে দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ছাত্রীদের মাঝে তারা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের রুমে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। শুধু শিক্ষার্থীদের সাথে নয় শিক্ষকদের সাথেও যা ইচ্ছা মন চায় তেমন আচরণ করেন আবুল হোসেন।

একজন শিক্ষার্থীর নিকট থেকে প্রতিমাসে ৫শত টাকা করে বেতন নেয়া যা অতিরিক্ত বলে প্রতিয়মান। ছাত্রিরা বলেন নেক না ১০০,২০০ টাকা মাসিক বেতন কেন নিবে ৫০০ টাকা তা কি অতিরিক্ত নয়। ১৯৮৫ সালে থেকে শুরু হয়ে লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যানিকেতন সকল সমস্যা সমাধান করে পাট দাঁনে গতি ফিরে আসুক এই কামনা করেন অভিবাহকরা। তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু তালেব জানান নতুন করে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া পর্যন্ত আবুল হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে রাখা হয়। বিস্তারিত প্রতিবেদন, ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.